‘গায়ের রঙের জন্যই আমি গুরুত্ব পেয়েছি’

বিপাশা বসু। ছবি: সংগৃহীত

ছোট থেকেই গায়ের রঙ নিয়ে নানা কথা শুনতে হয়েছিল বিপাশা বসুকে। সম্প্রতি প্রসাধনী ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’র ছবি শেয়ার করে বিপাশা লিখেছেন, ‘ছোট থেকেই আমি শুনে এসেছি, সোনির থেকে বনি কালো। ওর গায়ের রঙ একটু চাপা না? যদিও আমার মা-ও শ্যামবর্ণ এবং আমি তার মতোই দেখতে। কিন্তু আমি ছোট থেকেই শুনতাম আত্মীয়স্বজনরা আমার গায়ের রঙ নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। বুঝতাম না কেন? মাত্র ১৬ বছর বয়স থেকে আমি মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করি। আমি সুপার মডেল প্রতিযোগিতা জিতেছিলাম, সংবাদমাধ্যমে হেডলাইন হলো শ্যামবর্ণ কলকাতার তরুণী সুপার মডেল প্রতিযোগিতার বিজেতা। আমি বিস্মিত হতাম, সেই আমার বর্ণনায় শ্যামবর্ণ!’

বিপাশা আরও লিখেছেন, ‘পরবর্তীকালে যখন আমি নিউইয়র্ক প্যারিসে গেলাম মডেলিংয়ের জন্য সেখানে দেখলাম গায়ের রঙের জন্যই আমি গুরুত্ব পেয়েছি। পরে দেশে ফিরে যখন প্রথম ছবির প্রস্তাব পেলাম তখন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমি একেবারেই অজ্ঞাত পরিচয়। সিনেমায় কাজ করে ভালোবাসাও পেলাম। তবে আমার নামের সঙ্গে শ্যামবর্ণ শব্দটি থেকেই গেল। পরবর্তীকালে এই শব্দটির প্রতিই ভালোবাসা জন্ম গেল। দেখলাম দর্শকরা এই শ্যামবর্ণ মেয়েটিকেই পছন্দ করছেন।’

এছাড়াও তিনি লিখেছেন, পরবর্তীতে তার গায়ের রঙের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল আবেদময়ী শব্দটিও। তার কথায়, ‘সেসময় বহু প্রতিবেদনে আমার গায়ের রঙ আমার আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। তারপর আবেদন। সেসময় আবেদনময়ী শব্দটি বলিউডে বেশ গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছিল।’

LEAVE A REPLY