প্রাণ বাঁচাতে বাংকারে লুকালেন ট্রাম্প!

প্রাণ বাঁচাতে বাংকারে লুকিয়েছিলেন ট্রাম্প

বর্ণবিদ্বেষের প্রতিবাদে এমন বড়সড় আন্দোলন মার্টিন লুথার কিংয়ের সময় দেখা গিয়েছিল। তাও সেটা ১৯৬৮ সালের দিকে। তবে লুথারের মৃত্যুর পর গত অর্ধশতাব্দি ধরে এমন দৃশ্য আর চোখেই পড়েনি। গোটা বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারির মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রাণহানিতে মৃত্যুপুরীতে পরিণত বলা যায়। আর এর মধ্যেই আরেক বিপর্যয় গ্রাস করলো ট্রাম্পের দেশকে।

বর্ণবিদ্বেষের প্রতিবাদে চলা আন্দোলনের মধ্যে গত ২৫ মে মিনিয়াপোলিসে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে পা দিয়ে গলা টিপে খুন করা হয়। পুলিশি অত্যাচারের সেই ছবি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে দুনিয়া জুড়ে। সেই ঘটনার পর ছয়দিন কেটে গিয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত হওয়া তো দূরের কথা বরং দাবানলের মতো সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের অন্তত ১৪০টি শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। দাবানলের মতোই ছড়িয়ে পড়ছে প্রতিবাদের সেই আগুন। একাধিক শহরে বিক্ষোভ হিংসাত্মক চেহারা নিয়েছে। অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যুও হয়েছে।

জর্জ ফ্লয়েডের খুনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-অশান্তি আরও ছড়িয়ে পড়ছে গোটা আমেরিকা জুড়ে। বিক্ষোভকারীরা পৌঁছে গিয়েছেন হোয়াইট হাউসের দোরগোড়া পর্যন্ত। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কিছুক্ষণের জন্য বাঙ্কারেও ঢুকে পড়তে হয়। এখনও বিক্ষোভ চলছে হোয়াইট হাউসের সামনে। চলছে গোটা আমেরিকা জুড়ে। প্রতিদিন নতুন নতুন শহরে ছড়াচ্ছে বিক্ষোভের আগুন।

আগে থেকেই হোয়াইট হাউসের কাছাকাছি এলাকায় প্রতিবাদীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন চলছিল। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে এমনটা আঁচ করে গত শুক্রবার রাতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে সরিয়ে নিয়ে যান নিরাপত্তারক্ষী ও গোয়েন্দারা। ঘণ্টাখানেকের জন্য সেই বাংকারে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এনএম

LEAVE A REPLY