সম্রাট ১০ দিনের রিমান্ডে

সম্রাট কে কোর্টে হাজির করা হয়। ছবি: মামুন আবেদীন / ভোরের কাগজ।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অপরদিকে সম্রাটের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সম্রাটকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজিরের পর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন।

আদেশে অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলায় সম্রাটের ৫ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

এর আগে দুপুর পৌনে ১২টায় সম্রাটকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

আট দিন আগে গ্রেপ্তার সম্রাট ও আরমানকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে রমনা থানায় মাদক আইনের মামলায় ১০ দিন এবং অস্ত্র আইনের আরেক মামলায় সম্রাটকে আরও ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল গত ৯ অক্টোবর। একই সঙ্গে এসব মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ওপরও শুনানি ছিল। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ওই দিন সম্রাটকে আদালতে হাজির করা হয়নি। ফলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি।

রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ড শুনানি করেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি আব্দুল্লাহ আবু, একই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর সাজ্জাদুল হক শিহাব, তাপস পাল ও এপিপি আজাদ রহমান।

অন্যদিকে আসামির পক্ষে শুনানি করতে গাজী জিল্লুর রহমান, আব্দুল কাদেরসহ প্রায় ২৫ জনের মত আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এ দিকে সম্রাটকে আদালতে আনার খবরে আদালত পাড়ায় ভিড় করেন তার কর্মী ও সমর্থকরা। তারা সম্রাটের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রায়সাহেব বাজার মোড় পর্যন্ত সড়কে অবস্থান করে স্লোগান দেন তারা।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তারর করে র‌্যাব। একই সঙ্গে তার অন্যতম সহযোগী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সহসভাপতি আরমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। ওইদিনই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত দু’জনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠান।

source: ভোরের কাগজ

LEAVE A REPLY