পরমাণুবাহী সাবমেরিনের প্রস্তুতি উ. কোরিয়ার

পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া। গত কয়েক বছর বিরাট আকারের সাবমেরিনটির নির্মাণে কাজ করছে দেশটির প্রকৌশলীরা।

এ মুহূর্তে নির্মাণের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। গত মাসেই প্রথমবারের মতো এর বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়। শিগগিরই এটা মোতায়েন করা হবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, কার্যকর ও সফলভাবে সাগরে নামাতে পারলেই এটা পরমাণু বোমা হামলার বিকল্প উপায় ব্যবহার করা হবে। সাবমেরিনটি পরমাণু ওয়ারহেড বহন ও সফলভাবে উৎক্ষেপণ করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেই আশঙ্কা ইতিমধ্যেই ভাবিয়ে তুলেছে দেশটির ‘জানের শত্রু’ যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোকে। জাপানের সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকে এ খবর দিয়েছে।

মার্কিন মিডলবারি ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ এবং উপগ্রহ পরিচালনাকারী সংস্থা প্ল্যানেট ল্যাবস ইনকর্পোরেটেডের গবেষকরা জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর সিনপোতে সম্প্রতি কোরীয় কর্মকর্তাদের তৎপরতা বেড়েছে। তার ভিত্তিতে মনে করা হচ্ছে যে, পিয়ংইয়ং পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবরে এতে বলা হয়েছে, উপগ্রহ থেকে নেয়া ছবিতে দেখা গেছে যে সিনপো বন্দরে নতুন সাবমেরিনের কাঠামো বানানোর তৎপরতা চলছে।

উ. কোরিয়ার ৪০ শতাংশ জনগণ খাদ্য সংকটে-জাতিসংঘ : গত পাঁচ বছরের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার শস্য উৎপাদন সর্বনিু স্তরে পৌঁছেছে। গুরুতর খাদ্য সংকটে পড়েছে দেশটির ৪০ শতাংশ জনগণ।

শুষ্ক মৌসুম ও অপর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থায় তীব্রভাবে আক্রান্ত হয়েছে দেশটির শস্য উৎপাদন। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার শিকার হয়ে ইতিমধ্যেই ভুগছে দেশটির অর্থনীতি। এর মধ্যে শস্য উৎপাদনে ঘাটতি জনগণের ওপর অত্যন্ত বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

LEAVE A REPLY