১২ বছর পর ফের প্রতিযোগিতার মঞ্চে দুজন; একজন বিচারক, অন্যজন প্রতিযোগী!

বিচারকের আসনে সাবরিনা পড়শী, আর প্রতিযোগী লামি অ-অ+

কোটি কোটি মানুষ এই শহরে, ঢাকা মেট্রোপলিটন শহরে মানুষ গুনে শেষ করা যাবে না। কে কোথায় যাচ্ছে, কে কী করছে কারো কোনো দিকে খেয়াল নেই। সবাই নিজস্ব চিন্তায় নিজস্ব পথে চলছেন। এই শহরে হারিয়ে যাওয়া কিছুই হয়তো খুঁজে পাওয়া যায় না, হারিয়ে যাওয়া মানুষকে কিভাবে খুঁজে পাওয়া যাবে?

আসলেই তাই, কোটি কোটি মানুষের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া মানুষকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এই নাগরিক শহর যেন এক সমুদ্র, যেখানে হারিয়ে যাওয়া সুচ খোঁজার চেষ্টা করা বৃথা। কিন্তু কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে, প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর পথ নির্দিষ্ট থাকলে সব সম্ভব- হারিয়ে যাওয়া মানুষকে খুঁজে পাওয়া যাওয়া সম্ভব।

পড়শী ক্ষুদে গানরাজ রিয়ালিটি শো থেকে এসে কণ্ঠশিল্পী হয়েছেন। অনেক জনপ্রিয় গানের গায়িকা তিনি, খ্যাতি তাঁর দেশজোড়া। এক নামেই সবাই চেনে। কণ্ঠশিল্পী পড়শী এবার যখন বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনে বিচারকের আসনে বসেন, তখন ঘটে যায় এক আশ্চর্য ঘটনা। এক প্রতিযোগী আসেন, গাইতে শুরু করবেন। তখনই পড়শী তাঁকে চিনে ফেলেন। তার আগে প্রতিযোগী মেয়েটি এসে সালাম দেন। পড়শী সালাম নেন। চোখেমুখে বেশ বিস্ময় মিশিয়ে বলেন- 
‘লামি?’
‘জি।’
‘আমি তোমাকে চিনি।’
‘হ্যাঁ।’
‘ইয়েস আমি তোমাকে চিনি। কেমন আছ?’
‘ভালো। তুমি কেমন আছ?
‘আমি তো খুব ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।’

আরেক বিচারক ইবরার টিপু বলেন, এখানে আত্মীয়-স্বজন। পড়শী হাসতে হাসতে বলেন, না না, আত্মীয়-স্বজন নয়।’ এরপর পুরো ঘটনা বলেন, যার সারমর্ম। পড়শী আজ কণ্ঠশিল্পী হয়েছেন রিয়ালিটি শো ক্ষুদে গানরাজ থেকে। ১২ বছর পূর্বে সেই রিয়ালিটি শোতে অংশ নিয়েছিলেন আনিলিটা লামি নামের একজন। তখন লামির সঙ্গে পড়শীর বেশ সখ্য তৈরি হয়েছিল। কিন্তু লামি প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়ায় পড়শীর সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 

অবশ্য এই রিয়ালিটি শোর শুরুতেই ইয়েস কার্ড পেয়েছেন লামি। গান শোনানোর পর পড়শী লামিকে আবেগে জড়িয়ে ধরেন। এই পুরো সময়টিতে একটি আবেগমিশ্রিত মুহূর্ত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। লামির গান শুনে বাকি বিচারক প্রতীক হাসান ও ইবরার টিপুও মুগ্ধ হয়েছেন। তারা মনে করছেন, এবার লামি অনেকটা এগিয়ে যেতে পারবে।

LEAVE A REPLY