ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র অত্যন্ত নিখুঁত, ১৫০ সেনার মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল: মার্কিন কমান্ডার

ইরাকের আল আনবার প্রদেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আইন আল আসাদে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ভিডিও ফুটেজ পেয়েছে টিভি চ্যানেল ‘সিবিএস’। ড্রোনের সাহায্যে তোলা সেই ভিডিও ফুটেজ এখনও কোথাও সম্প্রচারিত হয়নি বলে দাবি করেছে মার্কিন এই টিভি চ্যানেল।

আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তারা তা সম্প্রচার করবে। সেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে বলে জানানো হয়েছে।নতুন ভিডিও ফুটেজ সম্প্রচারকে সামনে রেখে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন সিবিএস জানিয়েছে, সে সময় ঘাঁটিতে থাকা একজন মার্কিন সামরিক কমান্ডার ইরানি হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন একটা মালবাহী ট্রেন আপনার পাশ দিয়ে গেলে যেমন অনুভূত হয় ঠিক তেমনিভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আসছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সন্ত্রাসী সেনা কমান্ডের প্রধান ফ্রাঙ্ক ম্যাক ক্যানজি’র বরাত দিয়ে সিবিএস টিভি চ্যানেলের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সেদিন যদি ঘাঁটি খালি করা না হতো তাহলে ১০০ থেকে ১৫০ জন মার্কিন সেনা নিহত হতো এবং ২০ থেকে ৩০টি জঙ্গিবিমান ধ্বংস হয়ে যেত।

তিনি আরও বলেন, “সেদিন যে হামলা হয়েছিল সে রকম কোনো হামলা আমি এর আগে কখনো দেখিনি, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো একেবারে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে। ইরানিরা ঠিক যে পয়েন্টে ক্ষেপণাস্ত্র ফেলতে চেয়েছে ঠিক সে পয়েন্টে গিয়েই সেগুলো পড়েছে।”

মার্কিন সেনা নিহত হলে তারা প্রতিশোধ নিত বলে দাবি করেছেন মার্কিন এই সেনা কমান্ডার।

২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও তার ৯ সহযোগী ইরাকে মার্কিন কাপুরুষোচিত হামলায় শাহাদাৎবরণ করেন। জেনারেল সোলাইমানিকে কবর দেওয়ার আগেই মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি। মার্কিন ঘাঁটি আইন আল আসাদে ১১টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান, এর প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ছিল এক হাজার পাউন্ডের বেশি। সূত্র: পার্সটুডে

LEAVE A REPLY