চীনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সব কিছুর সায় দেবে না’ অস্ট্রেলিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের ‘বন্ধুদেশ’ অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, তারা চীনকে নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সব কিছুর সঙ্গে সায় দেবে না। সবার সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করতে বৈশ্বিক বিধি অনুসারে সিদ্ধান্ত নেবে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পেও এবং ডিফেন্স সেক্রেটারি মার্ক এসপার অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনে দুইদিন বৈঠক করেন। করোনা মহামারীর ভেতরেও তারা আমেরিকায় এসেছেন। ফেরার আগে দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন।মঙ্গলবার দুইপক্ষের যৌথ বিবৃতিতে তিন দেশের নানা বিষয়ে আলাপ করেন কর্মকর্তারা। দক্ষিণ চীন সাগরে আধিপত্য বিস্তারে অস্ট্রেলিয়া ‘পাশে থাকায়’ ধন্যবাদ দেন পম্পেও। এই অঞ্চলটি চীন নিজেদের বলে দাবি করে আসছে।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিস পেইন তার বক্তব্যে হংকংয়ের প্রতি চীনের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বেইজিংকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সবকিছুতে তারা সহমত হবে না।

‘চীনের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক, তা গুরুত্বপূর্ণ। এর ক্ষতি করার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই। আমরা এমন কিছু করবো না, যাতে আমাদের স্বার্থ নষ্ট হয়।’

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীন এবং আমেরিকার সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে তিনি ‘মুক্ত, উন্নয়নশীল, নিরাপদ এবং বিভিন্ন ইস্যুভিত্তিক’ বলে মন্তব্য করেন।

‘আমরা তারপরেও সবকিছুতে রাজি হবো না। এটা শ্রদ্ধাশীল সম্পর্কের অংশ, যা ১০০ বছরের বেশি সময়ের বন্ধুত্বে টিকে আছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক কোন সিদ্ধান্তের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া একমত হবে না, সেটি অবশ্য পরিষ্কার করেননি পেইন। শুধু বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ এবং নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের সিদ্ধান্ত নেয়।

‘চীনের সঙ্গে আমাদের একই সম্পর্ক। শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে, রয়েছে অন্য সম্পর্ক এবং এটা উভয় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে।’

LEAVE A REPLY