ভারতের বাঁধের কারণেই বন্যা, অভিযোগ নেপালের

চলতি বর্ষা মওশুমে ভারতের উত্তরবঙ্গ ভাসছে, আসামে বন্যা। প্লাবিত হিমালয়ের পাদদেশের নেপালও। তবে নেপালের অভিযোগ, তারা পুরোপুরি নদী রাজনীতির শিকার। নইলে অমন পাহাড়ি এলাকায় পানি জমে বন্যা হওয়ার কথা নয়।

নেপালের অবস্থান হিমালয়ের একেবারে পাদদেশে। হিমালয়ই বেশিরভাগ নদীগুলির উৎস। নদীর চরিত্র অনুযায়ী, পাহাড় থেকে সমতলে নেমে আসে। নেপাল পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় সেখানে বৃষ্টির পানি বা নদীর পানি কোনটাই জমে থাকার সুযোগ নেই। তাই প্লাবনেরও আশঙ্কা থাকার কথা নয়।

অথচ এবছর নেপালে বন্যা। নেপাল সরকারের অভিযোগ, ভারত সীমান্তের বহু জায়গায় নদীর গতি রুখতে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। ফলে পানি জমে যাচ্ছে নেপালের দিকে। বর্ষার মওশুমে বৃষ্টির সঙ্গে নদীর পানি মিলিত হয়ে পানিস্তর বাড়ছে, প্লাবন দেখা দিচ্ছে। অর্থাৎ ভারতের বাঁধ নেপালে বন্যার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী বলে অভিযোগ।

১৯৫৪ এবং ১৯৫৯ সালে কোশী এবং গণ্ডক নদীতে বাঁধ নির্মাণ নিয়ে ভারত-নেপালের চুক্তি হয়েছে। তবে তা নিয়ে বিতর্ক আছে। নেপালের অভিযোগ, চুক্তি বাস্তবায়নের পর দেখা গিয়েছে, এই বাঁধ নির্মাণে নেপাল সীমান্তের মানুষজনের কোনও সুবিধা হয়নি। পুরোটাই ভারতের লাভ। উলটোদিকে, ভারতও অভিযোগ তোলে, বর্ষার মওশুমে কোশী নদীর লকগেটগুলি খুলে দেয় নেপাল। তাতে ভেসে যায় বিহার।

LEAVE A REPLY